Wednesday, April 2, 2025

সিকিম রাজ্যের পরিচয় – Sikkim State, India

Explanation of Sikkim State in Bengali

Share

About Sikkim State in Bengali

ভারতের ক্ষুদ্রতম রাজ্যগুলির মধ্যে একটি এবং মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের এক অন্যতম উদাহরণ। যেখানে রয়েছে ভারতের সর্বোচ্চ এবং পৃথিবীর তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। ভারতের রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি চলুন বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক ভারতের রাজ্য সিকিম সম্পর্কে –

সিকিম রাজ্য

Sikkim State, India

অবস্থান


ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত ভারতের একটি অন্যতম পাহাড়ি রাজ্য হল সিকিম। এর উত্তর সীমান্তে রয়েছে চিন, পূর্ব সীমান্তে রয়েছে ভূটান, পশ্চিম সীমান্তে রয়েছে নেপাল এবং দক্ষিণ সীমান্তে রয়েছে ভারতের অপর একটি রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ।

মানচিত্র


Map of Sikkim State
Map of Sikkim StateLocation of Sikkim State in Map of India
সিকিম রাজ্যের মানচিত্র (Map of Sikkim State with districts)ভারতের মানচিত্রে সিকিম রাজ্যের অবস্থান (Sikkim state in Map of India)

আয়তন ও জনসংখ্যা


আয়তনে ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম রাজ্য সিকিমের মোট আয়তন ৭,০৯৬ বর্গ কিলোমিটার

সিকিমের মোট জনসংখ্যা ৬,১০,৫৭৭ জন, যা জনসংখ্যার বিচারে ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে সর্বনিম্ন জনবহুল রাজ্য। এছাড়াও রাজ্যের জনঘনত্ব অর্থাৎ প্রতি বর্গকিলোমিটারে এই রাজ্যে মাত্র ৮৬ জন মানুষ বসবাস করে। এরাজ্যে প্রতি ১০০০ জন পুরুষে মহিলার সংখ্যা ৮৯০ জন।

২০১১ সালের আদমশুমারির বিবরণ অনুসারে, সিকিম রাজ্যের জনসংখ্যার তথ্য –

Population data of Sikkim state 2011
প্রকৃত জনসংখ্যা৬১০,৫৭৭ জন
পুরুষ৩২৩,০৭০ জন
মহিলা২৮৭,৫০৭ জন
জনসংখ্যা বৃদ্ধি১২.৮৯%
মোট জনসংখ্যার শতাংশ০.০৫%
লিঙ্গ অনুপাত৮৯০
শিশু লিঙ্গ অনুপাত৯৫৭
ঘনত্ব/বর্গ কিমি৮৬
এলাকা (বর্গ কিমি)৭,০৯৬
মোট শিশু জনসংখ্যা (০-৬ বয়স)৬৪,১১১ জন
সাক্ষরতা৮১.৪২%
পুরুষ সাক্ষরতা৮৬.৫৫%
মহিলা সাক্ষরতা৭৫.৬১%

প্রশাসনিক বিভাগ


গ্যাংটক (Gangtok), সিকিম রাজ্যের রাজধানী এবং সিকিমের বৃহত্তম শহর। রাজ্যটিতে সর্বমোট ৬টি প্রশাসনিক জেলা রয়েছে। এগুলি হল –

জেলাসদর দপ্তরজনসংখ্যা (২০১১ জনগণনা)আয়তন (বর্গ কিমি)
গ্যাংটকগ্যাংটক২৮১,২৯৩৯৫৪
মংগনমংগন৪৩,৩৫৪৪,২২৬
পাকিয়ংপাকিয়ং৭৪,৫৮৩৪০৪
সোরেংসোরেং৬৪,৭৬০২৯৩
নামচিনামচি১৪৬,৭৪২৭৫০
গ্যালশিংগ্যালশিং১৩৬,২৯৯১,১৬৬

শহর


সিকিম রাজ্যের অন্যান্য প্রধান শহরগুলি হল পাকিয়ং (Pakyong,) নামচি (Namchi), জোরেথাং (Jorethang), রাংপো (Rangpo), সিংতম (Singtam) ইত্যাদি।

সরকার ও রাজনীতি


সিকিম বিধানসভা নামে পরিচিত সিকিম রাজ্যের আইনসভা ৩২ জন সদস্য নিয়ে গঠিত এককক্ষবিশিষ্ট। এছাড়াও এইরাজ্যে ভারতের আইনসভার উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা এবং নিম্নকক্ষ লোকসভায় ১টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। বিচার ব্যবস্থার দিক থেকে সিকিম রাজ্যটি সিকিম হাইকোর্ট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

রাজ্য প্রতীক


State Symbols of Sikkim state
রাজ্য পশুলাল পান্ডা (Red Panda)State Animal of Sikkim State
রাজ্য পাখিরক্ত তিতির (Blood Pheasant)State Bird of Sikkim State
রাজ্য মাছকাটলি (Copper Mahseer)State Fish of Sikkim State
রাজ্য গাছরোদরঞ্জন বা রোডোডেনড্রন (Rhododendron)State Tree of Sikkim State
রাজ্য ফুলমহা ডেনড্রোবিয়াম (Noble Dendrobium)State Flower of Sikkim State

ভূপ্রকৃতি

হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত সিকিম রাজ্যটি পাহাড়ী ভূখন্ড দ্বারা চিহ্নিত। এর ভূমিভাগ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৮০ মিটার থেকে ৮,৫৮৬ মিটার পর্যন্ত উত্থিত। কাঞ্চনজঙ্ঘা হল এখানকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এবং বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ, যা সিকিম ও নেপালের সীমান্তে অবস্থিত। হিমালয়ের উচ্চ পর্বতশ্রেণী সিকিমের উত্তর, পূর্ব এবং পশ্চিম দিকে অর্ধচন্দ্রাকৃতির ন্যায় অবস্থান করেছে। রাজ্যের সর্বাধিক জনবহুল অঞ্চলগুলি বেশিরভাগই রাজ্যের দক্ষিণ অংশে এবং হিমালয়ের নিম্ন উচ্চতা রেঞ্জে অবস্থিত।

সিকিম রাজ্যটি জুড়ে ২৮টি পর্বতশৃঙ্গ, ৮০টিরও বেশি হিমবাহ, ২২৭টি উচ্চ-উচ্চতাযুক্ত হ্রদ, ৫টি প্রধান উষ্ণ প্রস্রবন এবং ১০০টিরও বেশি নদী ও স্রোত রয়েছে। এছাড়াও ৮টি গিরিপথ রাজ্যটিকে তিব্বত, ভুটান এবং নেপালের সাথে সংযুক্ত করেছে।

নদনদী ও হ্রদ


সিকিমের পশ্চিম এবং দক্ষিণে তুষার থেকে উৎপন্ন অসংখ্য স্রোত এই রাজ্যে নদী উপত্যকা তৈরি করেছে। এই স্রোতগুলি একত্রে তিস্তা ও রঙ্গিত নদী গঠন করে। তিস্তাকে সিকিমের জীবনরেখাও বলা হয়, যা রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত। তিস্তা নদীর উপনদী রঙ্গিত হল সিকিমের বৃহত্তম নদী।

জলবায়ু


সিকিম রাজ্যের জলবায়ু শীত, গ্রীষ্ম, বসন্ত, শরৎ ও বর্ষা, এই পাঁচটি ঋতু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। তবে এই রাজ্যের অধিকাংশ জনবসতিপূর্ণ এলাকায়, জলবায়ু নাতিশীতোষ প্রকৃতির। গ্রীষ্মকালে এই রাজ্যের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড এবং শীতকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নিচে নেমে আসে। সিকিম ভারতের কয়েকটি রাজ্যের মধ্যে একটি যেখানে নিয়মিত তুষারপাত হয়। বর্ষাকালে এই রাজ্যে মাসিক ৬০০ থেকে ৭০০ মিমি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।

উদ্ভিদ ও প্রাণীজগত


সিকিম রাজ্যটি নিম্ন হিমালয়ের একটি পরিবেশগত হটস্পটে অবস্থিত। এখানকার বনাঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের প্রাণী ও উদ্ভিদ দেখা যায়৷ বিভিন্ন উচ্চতার কারণে এখানে গ্রীষ্মমন্ডলীয় প্রজাতি থেকে নাতিশীতোষও, আলপাইন এবং তুন্দ্রা পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের গাছপালা রয়েছে। এছাড়াও সিকিম তার প্রায় ৫০০০ প্রজাতির ফুলের গাছ এবং প্রায় ৫১৫টি বিরল অর্কিডের জন্য বিখ্যাত।

সিকিমের প্রাণীজগতের মধ্যে রয়েছে তুষার চিতা, কস্তুরী হরিণ, হিমালয়ান থর, লাল পান্ডা, এশীয় কালো ভাল্লুক, তিব্বতি নেকড়ে ইত্যাদি বন্যপ্রাণী।

অর্থনীতি


সিকিম রাজ্যের অর্থনীতি প্রধানত কৃষি নির্ভর। এছাড়াও প্রাকৃতিক সম্পদ, পর্যটনশিল্প এবং বিভিন্ন কুটির শিল্প এই রাজ্যের অর্থনীতিতে অন্যতম ভূমিকা পালন করে।

কৃষি


সিকিমের অধিকতর অংশ পাথুরে এবং প্রবল ঢালযুক্ত হওয়ায় এখানকার বেশিরভাগ ভূমিই কৃষির অনুপযোগী। তবে এখানকার কিছু পাহাড়ি ঢাল সোপান খামারে রূপান্তরিত করা হয়েছে এবং এইসব জমিগুলিতে ঐতিহ্যগত পদ্ধতি ব্যবহার করে চাষ করা হয়। এখানকার কৃষকরা এলাচ, আদা, কমলা, আপেল, চা, পাইন বাদাম ইত্যাদি চাষ করে থাকেন৷ তাছাড়া সিকিম ভারতের অন্য যেকোনো রাজ্যের তুলনায় বেশি এলাচ উৎপাদন করে এবং এখানেই সবচেয়ে বেশি এলাচ চাষ হয়। রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে সোপানযুক্ত জমিতে ধান, গম, ভূট্টা, বাজরা ইত্যাদি ফসলও চাষ হয়ে থাকে।

জাতিগোষ্ঠী


জাতিগতভাবে, সিকিমের জনগণ প্রধানত লেপচা, ভূটিয়া এবং নেপালি, এই তিনটি জাতিগোষ্ঠী নিয়ে গঠিত এবং এদের নিজদ ভাষা ও সংস্কৃতিগুলি একটি দুর্দান্ত সিকিমিজ সংস্কৃতি তৈরি করেছে।

ভাষা


আধুনিক সিকিম একটি বহুজাতিক এবং বহুভাষিক ভারতীয় রাজ্য। এই রাজ্যের সরকারী ভাষা হিসাবে রয়েছে নেপালি, সিকিমিজ, লেপচা এবং ইংরেজি ভাষা। তবে কথ্যভাষা হিসাবে নেপালি ভাষা হল সিকিমের প্রধান ভাষা। ইংরেজি এবং হিন্দি ভাষাও ব্যাপকভাবে প্রচলিত। এছাড়াও এখানকার অন্যান্য ভাষাগুলি হল ভূটিয়া, গ্রোমা, লেপচা, তিব্বতি, বাংলা ইত্যাদি।

ধর্ম


ধর্মগত দিক থেকে সিকিম রাজ্যে বসবাসকারী জনসংখ্যার ৫৭.৮ শতাংশ মানুষ হিন্দু ধর্ম পালন করেন এবং হিন্দু ধর্ম হল এরাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্ম। এছাড়াও রাজ্যের জনসংখ্যার ২৭.৩৯ শতাংশ মানুষ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী, ৯.৯১ শতাংশ মানুষ খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী, ১.৬২ শতাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী এবং বাকি মানুষেরা অন্যান্য ধর্মাবলম্বী।

শিক্ষাব্যবস্থা


শিক্ষাগত দিক থেকে সিকিম রাজ্যের সাক্ষরতার হার ৮১.৪ শতাংশ।

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য


সিকিমের নাগরিকরা বিশেষ করে নেপালি সংখ্যাগরিষ্ঠরা ভারতের সমস্ত প্রধান হিন্দু উৎসব যেমন দিপাবলি, দশেরা ইত্যাদি উদযাপন করে। এছাড়াও এখানকার ঐতিহ্যবাহী স্থানীয় উৎসব যেমন মাঘে সংক্রান্তি, রামনবমী, লোসার, সাগা দাওয়া, লাবাব দুচেন ইত্যাদি উৎসবও জাকজমকভাবে উৎযাপিত হয়।

প্রধান তিনটি জাতি সম্প্রদায়, লেপচা, ভুটিয়া এবং নেপালিদের বিভিন্ন লোকনৃত্য ও গান রয়েছে, যা সিকিমিজ সংস্কৃতির একটি অন্তর্নিহিত অংশ। নেপালি লোকনৃত্য মারুনি এখানকার নেপালি সম্প্রদায়ের একটি প্রাচীনতম এবং জনপ্রিয় দলগত নৃত্য।

খাবার


সিকিমের ঐতিহ্যবাহী খাবারকে বলা হয় সিকিমিজ খাবার। এখানকার রন্ধনপ্রণালী মূলত তিব্বতি, নেপালি এবং লেপচা খাবারের মিশ্রণ, যা সিকিমের বিভিন্ন জাতিগত উপজাতি এবং সম্প্রদায় থেকে এসেছে। সিকিমিজ খাবারে মূলত ভাত, ডাল, জঙ্গলের রন্ধনসম্পর্কিত শাকসবজি, মাছ, মাংস ইত্যাদি প্রতিদিনের মেনুতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও নুডল জাতীয় খাবার যেমন থুকপা, চৌ মেইন, থেনথুক, ওয়ান্টন ইত্যাদি হল এখানকার সাধারন খাবার। তবে মোমোস হল সিকিমের একটি জনপ্রিয় খাবার।

পরিবহন ব্যবস্থা


সিকিম রাজ্যটি দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল হওয়ায় সড়কপথগুলিই এখানকার প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হয়। তবে রাজ্যটিতে রেলসংযোগের কাজ এখনও চলছে। বর্তমানে সিকিমের নিকটতম রেলওয়ে স্টেশন হল পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি জংশন রেলওয়ে স্টেশন ও নিউ জলপাইগুড়ি জংশন রেলওয়ে স্টেশন।

আকাশপথ হিসাবে গ্যাংটক এ অবস্থিত পাকিয়ং বিমানবন্দরটি হল সিকিমের প্রথম এবং একমাত্র বিমানবন্দর।

পর্যটন


রোমাঞ্চকর প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং অ্যাডভেঞ্চারের নিখুঁত বহু স্থান সিকিমকে করে তুলেছে ভ্রমণকারীদের স্বর্গ। এখানকার কয়েকটি বিশেষ জনপ্রিয় ভ্রমণ স্থান হল –

নাথুলা (Nathula)

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৪,৪৫০ ফুট উচ্চতায় ইন্দো-তিব্বত সীমান্তে অবস্থিত নাথুলা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিমালয় গিরিপথ, যা সিকিমকে চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সাথে সংযুক্ত করে। এই গিরিপথ তার মনোরম সৌন্দর্য এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য বিখ্যাত।

গুরুডংমার লেক ( Gurudongmar Lake)

সিকিমের সবচেয়ে সুন্দর এবং আদিম লেকগুলির মধ্যে একটি গুরুডংমার লেক উত্তরে তিব্বত এবং চীনা সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত। ১৭,০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত উঁচু উঁচু পাহাড়ের মাঝখানে গুরুডংমার লেক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা সিকিমের সবচেয়ে আশ্চর্যজনক লেক।

গ্যাংটক (Gangtok)

অত্যন্ত লোভনীয় এবং মনোরম সৌন্দর্যে ঘেরা গ্যাংটক হল সিকিমের রাজধানী শহর এবং দেশের অন্যতম সুন্দর পাহাড়ি স্থান। এখানকার দূরবর্তী আকাশে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার একটি আশ্চর্যজনক দৃশ্য রয়েছে।

কাঞ্চনজঙ্ঘা জাতীয় উদ্যান (Khangchendzonga National Park)

উত্তর সিকিম জেলা ও পশ্চিম সিকিম জেলায় অবস্থিত ১,৭৮৪ বর্গ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে বিস্তৃত্ব কাঞ্চনজঙ্ঘা জাতীয় উদ্যান হল একটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান।

এছাড়াও অন্যান্য বিখ্যাত গন্তব্য স্থানগুলি হল –

      • বাবা হরভজন সিং স্মৃতি মন্দির (Baba Harbhajan Singh Memorial Temple)
      • রবংলা বুদ্ধ উদ্যান (Buddha Park of Ravangla)
      • রাবডেন্টসে প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ (Ruins of Rabdentse Palace)
      • চার ধাম মন্দির (Char Dham Temple)
      • পেলিং (Pelling)
      • ইউমথাং উপত্যকা (Yumthang Valley) ইত্যাদি।

ভিডিও


সিকিম(SIKKIM) – ভারতের সিকিম রাজ্যের সংক্ষিপ্ত পরিচয় | Explanation of Sikkim State in Bengali

আরো ভিডিও দেখুন

(Explanation of Sikkim State in Bengali)

Gobin
Gobinhttps://bengalknowledge24.com/
I am a Content Creator on YouTube, Facebook, Instagram and Bengal Knowledge 24 Website.

আরও পড়ুন

আপনার জন্য বিশেষ নিবন্ধ